অবকাঠামোগত ও বিচারক সংকটের মধ্যেই চলছে টাঙ্গাইল আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। মামলা বেশি থাকায় অনেক ক্ষেত্রে একজন বিচারক দিয়েই পরিচালনা করতে হচ্ছে ৪/৫টি কোর্ট। ফলে, বিচার প্রার্থী সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোগান্তিতে আছেন বিচারকরাও। আর সব সমস্যার কথা স্বীকারও করে নিলেন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। নানা ধরণের জটিলতার মধ্যেই চলছে টাঙ্গাইল আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। এ জেলার বিচার কাজ পরিচালনার জন্য বিচারক রয়েছেন মাত্র ২৯ জন, আর এজলাস সংখ্যা ১৫টি। এছাড়া আদালতের কোর্ট সংখ্যা ৩৫টি ফলে প্রতিদিন একই এজলাসে পালাক্রমে মামলার বিচারকার্য চালাতে হচ্ছে। এতে মামলা পরিচালনায় বাড়ছে দীর্ঘসূত্রিতা। এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল বার সমিতি’র সভাপতি লায়ন মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সঠিক পরিমাণে এজলাস না থাকার কারণে বিচারকার্যে যারা নিয়োজিত আছেন, আইনজীবীসহ সকলেই ভোগান্তির মধ্যে আছেন। বছরের পর বছর আদালতে ঘুরে উকিল, মুহুরিদের টাকা দিলেও মামলা’র কাজ শেষ হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিচার প্রার্থীদের। এ প্রসঙ্গে একজন বিচার প্রার্থী জানান, মারামারির মামলা ১২ বছর ধরে ঘুরতেছি, কোনো সাক্ষীও নাই, কোনো রায়ও নেই। ১৯৬৯ সালে টাঙ্গাইল জেলা হওয়ার পর থেকে আদালত ভবনটির আর কোনো সংস্কার হয়নি উল্লেখ করে আদালতের সার্বিক অব্যবস্থাপনার কথা স্বীকার করে নিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের পিঁপিঁ বলেন, একটি এজলাসে তিনজন বিচারক পালাক্রমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। একটি চেম্বারে তিনজন চারজন বিচারক বসে। আমাদের আইন কর্মকর্তাদেরই বসার জায়গা নেই, সাক্ষী আসলে আমরা তাদেরকে ঠিকমতো পরীক্ষাও করতে পারি না। টাঙ্গাইল আদালতে দেওয়ানি, ফৌজদারি, নারী শিশু ট্রাইব্যুনাল এবং স্পেশাল কোর্টে দীর্ঘদিন যাবত বিচারাধীন আছে ৮ থেকে ৯ হাজার মামলা। সূত্রঃসময় টিভি
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের পিঁপিঁ বলেন, একটি এজলাসে তিনজন বিচারক পালাক্রমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। একটি চেম্বারে তিনজন চারজন বিচারক বসে। আমাদের আইন কর্মকর্তাদেরই বসার জায়গা নেই, সাক্ষী আসলে আমরা তাদেরকে ঠিকমতো পরীক্ষাও করতে পারি না। টাঙ্গাইল আদালতে দেওয়ানি, ফৌজদারি, নারী শিশু ট্রাইব্যুনাল এবং স্পেশাল কোর্টে দীর্ঘদিন যাবত বিচারাধীন আছে ৮ থেকে ৯ হাজার মামলা। সূত্রঃসময় টিভি
0 Response to "ঝুলে আছে হাজারো মামলা.বিচারক সংকটে টাঙ্গাইলের আদালত,"
Post a Comment